Header Ads

সঙ্গিনীকে যৌন উত্তেজিত করার দারুন একটা কৌশল

সঙ্গিনীকে যৌন উত্তেজিত করার কৌশল
যৌন মিলনের সময় স্ত্রীর স্তন্যের গুরত্ব যে কত এটা প্রত্যেক পুরুষ অবশ্যই বুঝতে পারেন। কিন্তু আপনি যদি কিছু টিপস জেনে নেন তাহলে আপনার স্ত্রীর নিকট আপনি আগের চেয়েও অধিক ভালোবাসার পত্র হবেন আশা রাখি। তাই চলুন জেনে নিই শুধু স্তন মর্দনের মাধ্যমে সঙ্গিনীকে যৌন উত্তেজিত করার কৌশল ।
যখন কোন পুরুষ তার স্ত্রীর স্তন্যে যৌন উত্তেজনা আনতে চান তখন তারা সরাসরি নিপলে (স্তন্যের বোটা) চলে যান। পুরুষ মুলতঃ এভাবে মনে করেন – ‘যেহেতু স্তন্যের বোটাই মুল উত্তেজক অংশ তাই শুধু শুধু অন্য অঞ্চলে সময় নষ্ট কেন?’ এটা মোটেও ভাল বুদ্ধি নয়। কিন্তু আপনি হয়ত জানেন না স্ত্রীরা আরো অনেক বেশি জটিল। তাই আপনাকে সঙ্গিনীকে যৌন উত্তেজিত করার কৌশল জানতে হবে। জেনে নিন গোপনাঙ্গে মুখ দেয়া নিয়ে ইসলামিক বিধান ।
স্ত্রীরা আশ্চার্যজনক কিছু ঘটতে যাচ্ছে কিছুক্ষনের মধ্যে সেই আশায় থাকতে বেশি পছন্দ করে। টেনশান এবং এক্সাইটমেন্ট তাদের বেশী পরিমানে উত্তেজিত করে। প্রত্যেক নারী তার জায়গার সর্বোচ্চ অবস্থানে গিয়ে মজা অনুভব করে। যৌন মিলনের সময় একসাথে শুরু না হয়ে ক্রমশঃ উত্তেজনা সৃষ্টি হোক এটাই স্ত্রীদের প্রত্যাশা।
আসুন দেখি স্ত্রীরা কিভাবে এটা চায় ?
যখন আপনি স্ত্রীর স্তন্যে চুমো খাচেছন, এটা অতি উত্তম আপনি যদি স্তন্যের ভিত্তি (বেইস – নিপল থেকে সর্বচ্চো দূরে) থেকে শুরু করেন। চুমো, লেহন এবং স্পর্শ সবকিছুই থাকবে স্তন্যের ভিত্তির আশ-পাশ ঘেসে।
তারপর আস্তে আস্তে পুর্ন বৃত্তে সাপের মত চারপাশ ঘুর্নন পরিপুর্ন করুন। অতঃপর আরেকটু উপরের দিকে পুনরার বৃত্তাকারে চুমা, লেহন এবং স্পর্শ করে অন্য ঘুর্নন বলয় তৈরি করুন। এভাবে আস্তে আস্তে স্তন্যের বোটার দিকে আসুন।
আপনি যত বেশি সময় নিয়ে বোটার কাছাকাছি আসবেন তত বেশি সে উত্তেজিত হবে। এ অবস্থায় বেশিরভাগ স্ত্রী তার এক্সপ্রেশান দিয়ে আহ্ববান করবে তার স্তন্যের বোটা আপনার মুখে নেয়ার জন্য। এমনকি কেউ কেউ হাত দিয়ে আপনার মাথা টেনে তার বোটা চোষার জন্য চাপ সৃষ্টি করতে পারে। দেখুন ইসলামের চোখে হস্তমৈথুনের খারাপ দিক  ।
ধর্য্য ধরুন। এখনি মুখে স্তন্যের বোটা নিবেন না। স্তন্যের বোটার কাছাকাছি আপনার সিঙার চালিয়ে যান। তাকে আরো ক্ষুধার্ত করে তুলুন। স্তন্যের বোটায় পৌছার আগে বোটার পাশের বাদামী রঙের অঞ্চল (এ্যরুলা) জুড়ে পুর্বের ন্যায় চুমা, লেহন এবং স্পর্শ করুন। এখানে কিছুটা সাবধান তার প্রয়োজন আছে। খেয়াল রাখবেন স্তন্যের বোটায় যেন কোন ছোয়া না লাগে।
সুত্রঃ Health Tips Doc

No comments:

Powered by Blogger.