Header Ads

পুরুষের শরীরের যে সমস্যাগুলো এড়িয়ে যাওয়া উচিত নয়


পুরুষরা অনেক সময়েই ব্যস্ততার কারণে নিজেদের শরীরের দিকে নজর দিতে পারেন না। সময়ের অভাবে শরীরের অনেক সমস্যাই অনেক সময়ে পুরুষরা উপেক্ষা করে যান। সেন্ট্রাল মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটি অফ বার্মিংহ্যাম-এর বিশেষজ্ঞরা কিন্তু বলছেন, শরীরের সাত রকমের বেদনা সম্পর্কে কোনও ভাবেই কোনও পুরুষের উদাসীন থাকা উচিৎ নয়। না হলে ঘটে যেতে পারে গুরুতর বিপদ। এগুলির মধ্যে কোনও কোনও ব্যথা অবশ্য মহিলাদের শরীরেও দেখা দিতে পারে, তবে প্রধানত পুরুষদের শরীরেই এই ধরনের যন্ত্রণা বাসা বাধে। কোন সাত ধরনের বেদনার কথা বলছেন ডাক্তাররা? আসুন, জেনে নেওয়া যাক—
১. কোমরে তীব্র যন্ত্রণা: যদি গরম সেঁক কিংবা পেন কিলারেও এই জাতীয় ব্যথা না কমে, তবে এই ব্যথার কারণ হতে পারে অ্যাবডমিনাল অ্যানিরিজম (সেই ধমনীর স্ফীতি যার মাধ্যমে তলপেটে রক্ত প্রবাহিত হয়)। এ ছাড়া কিডনিতে পাথর জমার ফলেও এই ধরনের ব্যথা দেখা দিতে পারে। ওষুধ কিংবা অপারেশনের মাধ্যমে এই জাতীয় ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

২. কুঁচকিতে আচমকা তীব্র ব্যথা: যদি হঠাৎ করে এমন যন্ত্রণা শুরু হয়, যেন আপনার গোপনাঙ্গে কেউ প্রবল আঘাত করেছে, তা হলে চিন্তার কারণ রয়েছে। শুক্রনালির বিকৃতি, কিংবা পুরুষাঙ্গে ব্যাকটেরিয়া ঘটিত ইনফেকশনের কারণে এই ধরনের যন্ত্রণা হতে পারে। 
৩. প্রস্রাবের সময়ে যন্ত্রণা কিংবা জ্বালা: মূত্রখলির ইনফেকশন কিংবা ক্যানসারের ফলে প্রস্রাবে জ্বালা বা যন্ত্রণার অনুভূতি হতে পারে। এমনটা হলে কালবিলম্ব না করে ডাক্তারের কাছে যান, এবং পরামর্শ মেনে চিকিৎসা করান।
৪. পায়ের পাতায় কিংবা গোড়ালিতে একটানা ব্যথা: পা-এ গোড়ালির আশেপাশে যদি ক্রমাগত ব্যথা হয়ে চলে, যখন বিশ্রাম নিচ্ছেন তখনও যদি ব্যথা না কমে, তবে চিন্তার কারণ রয়েছে। স্ট্রেস ফ্র্যাকচারের ফলে এই ধরনের ব্যথা সৃষ্টি হতে পারে। এমনটা হলে পায়ের উপর চাপ পড়তে পারে, এমন কাজ যতটা সম্ভব কম করুন। ব্যথা কমে গেলে আবার স্বাভাবিক জীবনযাপন করুন।
৫. হঠাৎ হঠাৎ বুকে তীব্র ব্যথা: বুকে হঠাৎই প্রচণ্ড যন্ত্রণা শুরু হল, এবং কিছু ক্ষণ বাদেই ব্যথা আবার চলেও গেল— এমনটা যদি মাঝেমধ্যেই হতে থাকে, তা হলে হার্টের সমস্যা তার সম্ভাব্য কারণ হতে পারে। সে ক্ষেত্রে যত দ্রুত সম্ভব, ডাক্তারের দ্বারস্থ হওয়া প্রয়োজন।
৬. তলপেটে অসহ্য যন্ত্রণা: হঠাৎ করেই কি তলপেটে ছুরি মারার মতো তীব্র ব্যথা হচ্ছে? তা হলে অ্যাপেনডিক্সের সমস্যা, কিংবা প্যাংক্রিয়াটাইটিস-এ আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারেন আপনি। গলব্লাডারে স্টোনও তৈরি হয়ে থাকতে পারে। অধিকাংশ সময়ে অপারেশনই এই সমস্ত সমস্যা থেকে মুক্তির একমাত্র উপায়। 
৭. কাফ মাসল-এ ফোলা ভাব: পায়ে হাঁটুর নীচের অংশ যদি ফুলে যায়, এবং ভিতরে যদি জ্বালার অনুভূতি থাকে, তা হলে তা হতে পারে ডিপ-ভেন থ্রম্বোসিসের লক্ষণ। এই রোগে পায়ের নিম্নাংশে ধমনীর মধ্যে রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যা দেখা যায়। সাধারণত ডাক্তারের পরামর্শ মেনে ওষুধ খেলেই এই রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। 


No comments:

Powered by Blogger.